Bikash Bank transfer


 জাস্ট ভাবা যায়? একটা দেশের ফাইন্যান্সিয়াল ইকোসিস্টেমকে লিটারেলি প্যারালাইজড করে দেওয়া হয়েছে! বিকাশ, রকেট, নগদ- সব MFS-এর ক্যাশ আউট টোটালি শাট ডাউন। ব্যাংক ট্রানজেকশনেও রেস্ট্রিকশন। এটা কি জাস্ট একটা ডিসিশন, নাকি ম্যাস লেভেলের মানুষের মোবিলিটি রেস্ট্রিক্ট করার একটা ক্যালকুলেটেড মুভ?

হাজার হাজার স্টুডেন্ট, যারা ডেমোক্রেটিক রাইট এক্সারসাইজ করতে বাড়ি যাবে, তারা এখন ফান্ড ম্যানেজ করবে কীভাবে? বাসা থেকে টাকা পাঠানোর সব চ্যানেল ব্লকড। পকেটে ক্যাশ নাই, ডিজিটালি উইথড্র করার ওয়ে নাই, এই অবস্থায় আপনারা এক্সপেক্ট করেন স্টুডেন্টরা উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিতে যাবে?

This is not just a hassle, it’s a sheer strategic blunder to demotivate the young voters...!!!! 


এরপর আসেন ট্রান্সপোর্টেশনে! ১০-১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাইক, রাইড শেয়ারিং (উবার, পাঠাও) সব ব্যানড। পাবলিক ট্রান্সপোর্টও যদি অ্যাভেইলেবল না থাকে, তাহলে ঢাকার একপ্রান্তে থাকা অন্য প্রান্তের ভোটার গিয়ে ভোটটা দিবে কীভাবে? টেলিপোর্ট করে? লজিকটা কোথায়? আপনারা কি লিটারেলি চান না যে মানুষ সেন্টারে পৌঁছাক?

আর সবচেয়ে রিডিকুলাস পার্ট এই যে, ভোটকেন্দ্রের ৪০০ মিটারের মধ্যে মোবাইল ফোন নট অ্যালাউড! সিরিয়াসলি? একুশ শতকে দাঁড়িয়ে আপনারা কমিউনিকেশন ব্ল্যাকআউট ইমপোজ করতেছেন!?


মোবাইল এখন লাক্সারিয়াস মেটারিয়াল না, ইটস আ টুল ফর সেফটি ! সেন্টারের আশেপাশে কোনো ইমার্জেন্সি সিচুয়েশন হলে মানুষ কমিউনিকেট করবে কীভাবে? নাকি সিটিজেন সেফটি আপনাদের কনসার্ন লিস্টেই নাই?

মিনিমাম সিভিক রাইটস এনশিওর না করে, পুরো সিস্টেমটাকে একটা জোঁক বানিয়ে আপনারা ফেয়ার ইলেকশনের আশা করেন? শেইম অন দ্যা এলিট মাইন্ডসেট...!

মনে রাখবেন, ইমোশন আর লজিক যখন এক হয়, তখন সাইলেন্সটা বেশ ভারী হয়ে ফিরে আসে। নাগরিক সেবা বন্ধ করে ভোট হয় না, ওটা প্রহসন হয়! প্রহসন!!


©️মাজহারুল ইসলাম তুহিন

Next Post Previous Post